Thursday, August 31, 2017

কখন বুঝবেন আপনি ‘আনফিট’

একটু কাজ করেই কি হাঁপিয়ে উঠছেন? ধড়ফড় করছে বুক? হারিয়ে যাচ্ছে কথার খেই? এমন কিছু লক্ষণ দেখা দিলে বুঝতে হবে শারীরিকভাবে আপনি ‘আনফিট’! অনেকেই মনে করেন, ফিট থাকা মানেই হালকা-পাতলা হওয়া। আসলে কিন্তু তা নয়। ‘শারীরিকভাবে সুস্থ থাকা মানেই ফিট থাকা।’ এমনটাই বললেন পারসোনা হেলথের প্রধান প্রশিক্ষক ফারজানা খানম। শারীরিকভাবে ফিট না থাকলে শুধু ক্লান্তই লাগবে না, দেখা দেবে আরও নানান জটিলতা। তাই এমন কিছু লক্ষণ দেখা দিলে সচেতন হোন এখনই; তবেই এড়িয়ে যেতে পারবেন যাবতীয় জটিলতা। চলুন, দেখে নেওয়া যাক আনফিট থাকার কারণগুলো।
১. দ্রুতই ক্লান্ত হয়ে যাওয়া: অল্প কাজ করছেন, কিন্তু শরীরের ক্লান্তিতে মনে হচ্ছে যেন মাটি কেটে এলেন। এমন লক্ষণ দেখা দিলে বুঝবেন শারীরিকভাবে মোটেও ফিট নেই আপনি।
২. শ্বাস-প্রশ্বাসে অস্বাভাবিকতা: শরীর আনফিট হলে স্বাভাবিকের চেয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস অনেক দ্রুত হবে। হাঁপানি রোগীদের মতো ঘনঘন শ্বাস নেওয়ার প্রবণতাও দেখা দিতে পারে।
৩. কথায় অমনোযোগী: কেউ যখন কথা বলবে, তখন সেখানে একটানা মনোযোগ ধরে রাখা কষ্ট হবে। এদিকে নিজে যে বিষয়টি নিয়ে কথা বলছেন, দেখবেন দ্রুতই পাল্টে ফেলছেন সেই কথার বিষয়। এটাও আনফিট শরীরের অন্যতম লক্ষ্মণ।
৪. স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া: ছোটবেলার কথাও আপনার মনে আছে। ফলে আপনার স্মৃতিশক্তির সুনাম আছে কাছের মানুষদের মধ্যে। কিন্তু হঠাৎ করেই খেয়াল করলেন, কদিন ধরেই গতকাল কী ঘটেছে বা সকালে পত্রিকায় কী পড়লেন তার কিছুই মনে করতে পারছেন না!
৫. কিছুই ভালো লাগে না: কোনো কাজ করতে ভালো লাগছে না বা সবকিছুতেই বিরক্তি লাগছে।
৬. ঘুমের সমস্যা: হয় ঘুম খুব বেশি হবে বা ঘুম একেবারেই আসবে না।
এ সমস্যাগুলোর মুখোমুখি হলে আপনার শরীর মহাশয়কে নিয়ে ভাবুন। কেবল ভাবলেই তো হবে না; যথাযথ যত্ন নিন। যত্ন বলতে পরিমিত খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত বিশ্রাম, মানসিক প্রশান্তির দিকে খেয়াল রাখুন। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Wednesday, August 30, 2017

২০৯০ সালের আগে এমন সূর্যগ্রহণ আর হবে না

সূর্যগ্রহণ খুব সহসা আসে না। যুক্তরাষ্ট্রে সোমবার যে সূর্যগ্রহণ দেখা গিয়েছে সেটি গত ৯৯ বছরের মধ্যে কখনো হয়নি।
গত ৫০০ বছরের মধ্যে আটলান্টিক মহাসাগরের দুই পাশে মোট আটটি সূর্যগ্রহণ হয়েছে।  
আর ২০৯০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ ধরনের আরেকটি সূর্যগ্রহণও হবে না বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীর। তাহলে এর কারণ কী? বিজ্ঞানীরা বলছেন, এর কিছু সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চয়ই আছে।
পৃথিবী এবং সূর্যের মাঝখানে চাঁদ পরিভ্রমণ করে। কিন্তু পৃথিবী এবং সূর্যের তুলনায় চাঁদের কক্ষপথ কিছুটা ঝুঁকে থাকায় চাঁদ হয়তো খুব উপরে নয়তো খুব নিচে অবস্থান করে। সেজন্য প্রতি ১৮ মাসে চাঁদ একবার পৃথিবী ও সূর্যের সমান্তরালে আসে। তখন সূর্যকে ঢেকে দিয়ে পৃথিবীতে চাঁদের ছায়া পড়ে। চাঁদের তুলনায় সূর্য ৪০০ গুন বেশি বড়। কিন্তু সূর্যের তুলনায় চাঁদ পৃথিবীর কাছাকাছি অবস্থান করে।
সেজন্য পৃথিবী থেকে দেখতে চাঁদ ও সূর্যকে অনেকটা একই রকম মনে হয়। চাঁদ সবসময় একই কক্ষপথে সুচারুভাবে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে না। ফলে সূর্যগ্রহণ সবসময় দেখতে একই রকম হয় না। প্রতিটি সূর্যগ্রহণ সবসময় পৃথিবীর যে কোন জায়গা থেকে দেখা যায় না। প্রতি ৩৭৫ বছর পর সূর্যগ্রহণ মোটামুটি পৃথিবীর সব জায়গা থেকে দেখা যায়। যদি আপনি আরেকটি সূর্যগ্রহণ দেখতে চান তাহলে পৃথিবীর অন্য জায়গায় যেতে হবে। প্রতি ১৮ মাসে একবার পৃথিবীর কোথাও না কোথাও সূর্যগ্রহণ দেখা যায়।

প্রতিদিন ১০ লক্ষ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করছে ফেইসবুক, Facebook Closing 10 lac accounts daily.

প্রতিদিন ১০ লক্ষ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করছে ফেইসবুক। প্রতারণা, বিদ্বেষমূলক পোস্ট এবং ও স্প্যাম ছড়ানোর অভিযোগে গোটা বিশ্বজুড়ে এই অ্যাকাউন্টগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ফেসবুকের তরফে তাদের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা এই কথা জানিয়েছেন।  
গোটা বিশ্বে ২০০ কোটিরও বেশি মানুষের ফেইসবুক প্রোফাইল রয়েছে। তারা প্রত্যেকে কী ধরনের ‘‌কনটেন্ট শেয়ার’‌ করছেন সেটার ওপরে পুঙ্খানুপুঙ্খ নজর রাখা কার্যত অসম্ভব বলেই মনে করছে ফেইসবুক। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেও সব পোস্ট ডিলিট করা যাচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়েই বারবার একই রকম খারাপ পোস্ট করা হচ্ছে যে অ্যাকাউন্ট থেকে সেগুলি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।  
কারণ হিসাবে ফেইসবুকের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ফেইসবুকের নীতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন দেশে। তাদের নিজস্ব কী নীতি রয়েছে সেটা নিয়েও ধোঁয়াশা রয়েছে। কোনটা পোস্ট করা যেতে পারে, আর কোনটা করা যেতে পারে না তা নিয়ে কোনও নির্দেশিকা নেই। যে সমস্ত দেশে ফেসবুক চলে সেখানকার কিছু নিয়মকানুন মেনে চলতে হয়। ফলে সবমিলিয়ে পরিস্থিতি অনেক সময় হাতে বাইরে চলে যায়। এই সমস্যা কাটাতে আগামীদিনে অশ্লীল কনটেন্ট সরিয়ে ফেলতে বিশ্বজুড়ে ৩ হাজার কর্মী নিয়োগ করবে ফেইসবুক।

রহস্যময় 'ভুতুড়ে কণার' কীর্তি আবিষ্কার!

সম্প্রতি মিলে গেল ৪৩ বছর আগের এক বিজ্ঞানীর পূর্বাভাস। এই ব্রহ্মাণ্ডের একটি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণা।
যার নাম- নিউট্রিনো। যার আরও একটি নাম রয়েছে। ভুতুড়ে কণা। নিউট্রিনো বা ভুতুড়ে কণাদের বিচিত্র কেরামতি দেখে তো বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গিয়েছেন বিজ্ঞানীরা! টগবগ করে ফুটতে শুরু করে দিয়েছেন উৎসাহে। তাঁদের আশা, মশার হাতি নাড়ানোর পথ ধরে এক দিন পৌঁছে যাওয়া যাবে বিগ ব্যাং বা সেই মহা বিস্ফোরণের ঠিক পরের সময়ে। সেই বিস্ফোরণের ঠিক পরের ৪ লক্ষ বছরে কী কী ঘটেছিল, তা তো এখনও রয়েছে পুরোপুরি অন্ধকারে।
সেই অজানা কাহিনী কেন জানতে পারিনি?
অতীত বা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আমরা যা কিছু জানতে পারি, জানতে পেরেছি এত দিন, সে সবই ওই আলোর সূত্র ধরে। আলোর কণা ‘ফোটন’-এর হাত ধরে, তারই দেখানো পথে। ফোটনই তো এই ব্রহ্মাণ্ডকে চেনা, জানার এক ও একমাত্র ‘হাতিয়ার’ হয়েছে এত দিন। হয়ে চলেছে। ব্রহ্মাণ্ডের ‘ওয়ান অ্যান্ড ওনলি টর্চ বেয়ারার’। বিগ ব্যাং-এর পরপরই জন্ম হয়েছিল আলোর কণা ফোটনের। কিন্তু সেই ফোটনগুলি তখন নিজেদের মধ্যে ঘুষোঘুষি, খুনসুটি (স্ক্যাটারিং) করতেই ব্যস্ত ছিল। বিগ ব্যাং-এর পরের ৪ লক্ষ বছর পর্যন্ত নিজেদের মধ্যে সেই ঘুষোঘুষি, খুনসুটিতে মেতে থাকার ফলে ফোটনগুলি বাইরে বেরিয়ে আসতে পারেনি। ছড়িয়ে, ছিটিয়ে পড়তে পারেনি। ফলে, সেই ফোটনগুলি আমাদের সামনে টর্চের আলো ফেলতে পারেনি। তাই বিগ ব্যাং-এর পরের ৪ লক্ষ বছরে ঠিক কী কী ঘটনা ঘটেছিল, তা আমরা আজও জানতে পারিনি।
আর যারা সেই অজানা ঘটনাবলী জানাতে পারতো, তারা এই ভুতুড়ে কণা বা নি‌উট্রিনো। কারণ, তারাও ফোটনের সঙ্গেই জন্মেছিল বিগ ব্যাং বা সেই মহা বিস্ফোরণের পরপরই। ফোটনরা বেরিয়ে আসতে না পারলেও, বোধহয় প্রায় ‘অশরীরী’ বলেই ভুতুড়ে কণারা কিন্তু বেরিয়ে আসতে পেরেছিল বিগ ব্যাং-এর পরেই। হু হু করে চার পাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়তে শুরু করেছিল। ছুটতে শুরু করেছিল উদ্দাম গতিতে। প্রায় আলোর কণা ফোটনের গতিবেগেই। এই ব্রহ্মাণ্ডে চলার পথে কোনও কণা, কোনও মহাজাগতিক বস্তুই বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি নিউট্রিনোদের।
তবে তারা যে আবার প্রায় ‘অশরীরী’! তাই ভুতুড়ে কণাদের ওপরেও এত দিন সেই অন্ধকার সুড়ঙ্গের গোপন রহস্যের জাল কাটার ব্যাপারে ততটা ভরসা করা যাচ্ছিল না।
বিজ্ঞানীদের ধারণা, এ বার ভুতুড়ে কণাদের এই বিচিত্র কেরামতি সেই অন্ধকার সুড়ঙ্গের গোপন রহস্যের জাল কেটে দিতে পারে এক দিন। জানা যেতে পারে সেই মহা বিস্ফোরণের পর কী কী ঘটনা ঘটেছিল। কারা কারা জন্মেছিল। জন্মানোর পর তারা কী করছিল। জানা যেতে পারে সেই মহা বিস্ফোরণের পিছনে কার হাত ছিল। কার ‘ইচ্ছা’য় ঘটেছিল ওই প্রলয়ঙ্কর বিস্ফোরণ। সেই বিস্ফোরণ ঠিক কী ভাবে বীজ পুঁতেছিল এই ব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টির উন্মাদনার।
তাই একটা হালকা, পলকা ভুতুড়ে কণা (খুব বেশি হলে, ইলেকট্রনের ভরের ৫ লক্ষ ভাগের মাত্র ১ ভাগ) শেষমেশ আস্ত একটা হাতিকে নাড়িয়ে দেওয়ার এই যে কেরামতি দেখাল, তা আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে হয়ে গেল একটি যুগান্তকারী ঘটনা। গত সাড়ে ৪ দশক ধরে যে ঘটনা চাক্ষুষ করার জন্য হাপিত্যেশ অপেক্ষায় ছিলেন বিশ্বের তাবৎ বিজ্ঞানীরা।
কোনও গল্পকথা নয়। নয় কোনও কল্পকাহিনীও। প্রায় অশরীরী ভুতুড়ে কণার এই কেরামতির কথা হালে প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-জার্নাল ‘সায়েন্স’-এ। গত ৩ অগস্ট সংখ্যায়। একটি আন্তর্জাতিক গবেষকদলের ওই গবেষণাপত্রটির শিরোনাম- ‘অবজারভেশন অফ কোহেরেন্ট ইল্যাস্টিক নিউট্রিনো-নিউক্লিয়াস স্ক্যাটারিং’। মূল গবেষক মস্কোর ন্যাশনাল রিসার্চ সেন্টারের ইনস্টিটিউট ফর থিয়োরেটিক্যাল অ্যান্ড এক্সপেরিমেন্টাল ফিজিক্সের অধ্যাপক দিমিত্রি আকিমভ। গবেষকদের অন্যতম বিশিষ্ট কণাপদার্থবিজ্ঞানী জে আই কোলার শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের এনরিকো ফের্মি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক।
ভুতুড়ে কণাদের এই বিচিত্র কেরামতি চাক্ষুষ করতে গবেষকরা বানিয়ে ফেলেছেন বিশ্বের ক্ষুদ্রতম নিউট্রিনো সন্ধানী যন্ত্র বা নিউট্রিনো ডিটেক্টর। যার ওজন সাকুল্যে সাড়ে ১৪ কিলোগ্রাম বা ৩২ পাউন্ড। যা লম্বায় ৪ ইঞ্চি। চওড়ায় ১৩ ইঞ্চি।
ভুতুড়ে কণাদের চলার পথে কেউ বাধা হতে পারে না কেন?
ভারতে নিউট্রিনো গবেষণার পথিকৃৎ বিজ্ঞানী, কলকাতার সাহা ইনস্টিটিউট অফ নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের (এসআইএনপি) রাজা রামান্না ডিসটিঙ্গুইজ্‌ড ফেলো অধ্যাপক নবকুমার মণ্ডলের কথায়, ‘‘সে কাউকেই পরোয়া করে না বলে। কারও সঙ্গে মেলামেশা করতে চায় না বলে। কথা বলতে চায় না বলে। মোদ্দা কথায়, এই ব্রহ্মাণ্ডে যেন কারও সঙ্গেই ইন্টারঅ্যাকশনের বিন্দুমাত্র ইচ্ছা নেই ভুতুড়ে কণাদের।  
স্ট্রং ফোর্স বা শক্তিশালী বল তো দূরের কথা, তড়িৎ-চৌম্বকীয় বল বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক ফোর্সের সঙ্গেও কখনও কোনও বনিবনা হয় না এই ভুতুড়ে কণাদের। তাদের বনিবনা হয় শুধুই খুব দুর্বল মহাকর্ষীয় হল বা গ্র্যাভিটেশনাল ফোর্স আর অত্যন্ত অল্প পাল্লার উইক ফোর্স (যে বলে বাঁধা থাকে বলেই তেজস্ক্রিয় পদার্থের পরমাণু ভেঙে যায়) বা দুর্বল বলের সঙ্গে।
মুম্বইয়ের টাটা ইনস্টিটিউট অফ ফান্ডামেন্টাল রিসার্চের (টিআইএফআর) অধ্যাপক অমল দিঘের কথায়, ‘‘কোনও কণা বা মহাজাগতিক বস্তুর সঙ্গে ইন্টারঅ্যাকশন করাটা তাদের স্বভাবে নেই বলে এই ভুতুড়ে কণারা সব কিছুর মধ্যে দিয়েই অনায়াসে গলে যায়। তাদের ফুঁড়ে বেরিয়ে যায়। তাই এদের হদিশ পেতে বহু ঘাম ঝরাতে হয়েছে বিজ্ঞানীদের। ’’
ভুতুড়ে কণারা আমাদের শরীর ফুঁড়ে বেরিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু কেউই টের পাচ্ছি না! কেন?
নবকুমারবাবুর বক্তব্য, এরা এতটাই ভুতুড়ে যে, প্রতি মুহূর্তে আমাদের শরীরের ১ বর্গ সেন্টিমিটারে এসে ঢুকছে ১ লক্ষ কোটি নিউট্রিনো। শরীর ফুঁড়ে সেগুলি বেরিয়েও যাচ্ছে। আমরা টেরও পাচ্ছি না। এই ব্রহ্মাণ্ডের সর্বত্রই প্রতি ১ ঘন সেন্টিমিটারে থাকে ৪৩০টি ফোটন। আর নিউট্রিনো কণা থাকে ৩১০টি। নিউট্রিনোরা আদতে ইলেকট্রনের মতোই মৌল কণা। তাদের আর ভাঙা যায় না। তবে ইলেকট্রনের যেমন আধান (চার্জ) রয়েছে, এদের তা নেই। নিউট্রিনোরা একেবারে শ্রীনিরপেক্ষ! ’৬০-এর দশকের শেষাশেষি প্রথম জানা যায়, এরা তিন ধরনের হয়। মানে, তাদের তিন ধরনের ‘ফ্লেভার’ থাকে। ইলেকট্রন নিউট্রিনো, মিউওন নিউট্রিনো আর টাওন নিউট্রিনো। এও জানা গিয়েছে, ব্রহ্মাণ্ডে নিজেদের যাত্রাপথে এরা ‘বহুরূপী’ হয়। এক রূপ থেকে ঘন ঘন বদলে যায় অন্য রূপে। ইলেকট্রন নিউট্রিনো বদলে যায় মিউওন নিউট্রিনো বা টাওন নিউট্রিনোয়। আর ’৯৮ সালে প্রথম জানা যায়, এদের ভরও রয়েছে খুব সামান্যই। তবে তা কত, এখনও ঠিকঠাক ভাবে তা জানা সম্ভব হয়নি।

Sunday, August 27, 2017

Live Tv।।সরাসরি বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়ার Tv চ্যানেল দেখুন HD কোয়ালিটিতে।এবং একদম কম mb খরচ করে।

এক নজরে দেখে নিন।।যে গুলো চ্যানেল দেখতে পারবেন।App টা মাধ্যমে।।

1.Machranga, 2.Ekushey Tv, 3.Channel 9, 4.Channel I, 5.Ekattor tv, 6.Zee Bangla, 7.Ten Sports 1, 8.Ten Sports 2, 9.Ten cricket, 10.Colors Bangla, 11.ATN News, 12.BBC world, 13.Independent TV, 14.ATN Bangla, 15.Jamuna TV, 16.My TV, 17.SA TV, 18.Colors Asia, 19.Desh TV, 20.Boishakhi TV, 21.Channel 24, 22.Zee TV, 23.Mohona,24.NTV, 25.Sangsad TV, 26.BTV World, 27.Bangla Vision, 28.Zee Cinema, 29.Nicklodeon, 30.Somoy Television, 31.Asian TV and many more.
নিচ থেকে App টা Download করে নিন।।
Download Now

app টা ওপেন করুন।।ওপেন করার পর রেজিস্টেশন করতে বলবে।যদি রেজিস্টেশন যদি করে ন।তাহলে করলেন।না করলে No thank ক্লিক করুন।।তারপর নিচের Screen shot এর মতো আসবে।।

তারপর যে চ্যানেল টা দেখবেন।।সেটার ওপর ক্লিক করুন।।এখন সরাসরি দেখতে থাকুন।।

আর নয় ভিডিও দেখা/আর নয় অ্যাপ ডাউনলোড করা এবার অ্যাপ কে হ্যাক করে নিয়ে নিন অনেক টাকা

যা নিয়ে পোস্ট করেছি তা হলো যে Earning অ্যাপ হ্যাকিং করে টাকা তুলবেন বিকাশ এ
:
আর একটা কথা বলি যে কাজ করবেন সে পোস্টা পুরোপুরি সব পোস্ট পড়ে কাজ লাগবেন। বেশি মাতাব্বরি করলে তার ফল জানেন ই তো কেমন হয়।

:
বিদ্রঃ এইটা সম্পুর্ন হ্যাকিং নাহ। আর কোন অ্যাপ হ্যাক করা এতো সহজ না।
আমরা হ্যাকিং System এ
Reffarel এর অপব্যাবহার করে পয়েন্ট বারাবো এবং সেই পয়েন্ট দিয়ে টাকা বিকাশে নিবো।
:
আমাদের ৩ টি অ্যাপ লাগবে
১.যে অ্যাপ হ্যাক করবো সেই অ্যাপ লাগবে।
২.যেই অ্যাপ দিয়ে Earning অ্যাপ হ্যাক করবো।

একটি ভাল VPN (ভিপিএন)

______________________________________
নিচে থেকে অ্যাপ ৩ টা নামিয়ে নিন।

Earning App “Cash Mania’ Play Store


Super Clone


Fly Vpn Pro


:
আমরা যেই Earning অ্যাপ হ্যাক করবো সেই অ্যাপ এর নামঃ Cash Mania

______________________________________
আপনারা প্রথমে একটা অরিজিনাল একাউন্ট খুলে নিবেন সব সঠিক মতো ইমেইল নাম পাসওয়ার্ড …আর হ্যা আপনারাদের অরিজিনাল একাউন্ট এর রেফার কোড টা কপি করে নিবেন। আপনারা প্রথম একাউন্ট খোলার সময় আমার রেফার কোড টা দিয়েন

MY Refer Code: g3bZNo
তো চলুন অ্যাপ এর কাজ গুলা দেখি।

ধাপঃ

আমরা প্রথমত VPN Connected করে নিবো
দেশ যে কোন আর প্রতি একাউন্ট করার পর VPN এর দেশ চেন্জ করবো…
তারপর এখন Super Clone এই অ্যাপ এ যাবো গিয়ে প্লাস চিন্হ + ক্লিক করবেন।
এখন Cash mania অ্যাপ সিলেক্ট করুন।
এখন ৫/১০ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন
৫/১০ সেকেন্ড অপেক্ষা করার পর এমন আসবে এখন Start এ ক্লিক করুন
এখন নিচের মতো একটা পেজ আসবে এখানে Skip করুন
এখন Sign Up এ ক্লিক করুন
নিচের মতো করে সব বক্স পুরন করুন
ভয় পাবেন না এখানে রেজিস্টার করলে মেইল কন্ফার্ম করা লাগেনা।
______________________________________
রেজিস্টার হয়ে গেলে এমন একটা পেজ আসবে তখন Refer & Earn এ ক্লিক করবেন।
এখন ফাকা বক্সে আপনার অরিজিনাল Account এর রেফার কোড দিয়ে Get Points এ চাপুন
সাথে সাথেই পেয়ে জাবেন ৫০০ পয়েন্ট আপনার অরিজিনাল Account এ
এই ভাবে প্রতিবার Account খোলার পর Super Cloner অ্যাপ এর ডাটা ক্লিয়ার করবেন।
______________________________________
বিদ্রঃ যখন একটা করে Account খুলবেন তারপর Super Cloner অ্যাপ ডাটা ক্লিয়ার করবেন। Vpn এর দেশ চেন্জ করবেন।
এবং আগের অনুযায়ি কাজ করবেন।
এবং প্রতিবার New Account খোলার সময় ডাটা কানেক্শন Off/On করবেন।
কারন আমরা রেফারেল এর দুরব্যাবহার করেছি। আর Data Connection> Off/On করার কারন আমাদের আইপি চেন্জ করা মনে রাখবেন ডাটা Off/on করলেই মোবাইল এর IP অটোমেটিক Change হয়ে যায়।

______________________________________
বন্ধুরা হয়তো ভাবছেন যে এতো কিছু করার কি দরকার? আমি বলছি যদি এক মোবাইল/আইপি দিয়ে একাউন্ট তৈরী করেন তাহলে App Manager সব টের পেয়ে যাবে যে আপনি একই ফোনন/আইপি দিয়ে অতিরিক্ত একাউন্ট খুলে Reffarel এর অপ ব্যাবহার করেছেন। যদি টের পায় তাহলে Withdraw করলেও আর টাকা পাবেন না। উল্টে আপনার। Account টি আরো ডিলিট করে দিবে।
______________________________________
আপনারা এই ভাবেই কাজ করুন ১০ মিনিট এই অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন.
বিদ্রঃ কেউ পেপাল এ টাকা Withdraw দিয়েন না। সবাই Bitcoin এ Withdraw দিয়ে এতে টাকা না পাওয়ার কোন ভয় নাই।
:
টাকা তুলতে পারবেন নিচের অনুযায়ি পয়েন্ট হলেই।
:
Paypal: 1000 Points মাত্র ২ টা Acc তৈরী করেই 1000 Points পাবেন।

Bitcoin: 10,000 points মাত্র কয়টা Account এর ব্যাপার।
______________________________________
যদি ১০০০ পয়েন্ট এ ১ ডলার হয় তাহলে হিসাব করে দেখুন ১০,০০০ হাজার পয়েন্ট 10$ ডলার হয়…১$=৮০৳ টাকা। তাহলে ১০$=৮০০৳ টাকা
______________________________________
আর যখন Withdraw দিবেন তখন Reedem লেখায় ক্লিক করে Bitcoin সিলেক্ট করে আপনার Bitcoin Address দিয়ে Ok ক্লিক করুন।

শুধু মহিলা ভক্ত নয় , ৪০০ পুরুষেরও বড় সর্বনাশ করেছেন এই ধর্মগুরু

তার অন্ধ ভক্তদের কাছে তিনি যুগপুরুষ। অথচ সেই গুরু রাম রহিমের বিরুদ্ধে যে যে অভিযোগ বিভিন্ন সময় উঠেছে, তাতে তাকে ঘিরে রহস্য ক্রমশ ঘনীভূত হয়েছে। সম্ভ্রমহানীর মামলায় দোষী প্রমাণিত হওয়ার পরে সেই পুরানো অভিযোগগুলিই মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।
স্বঘোষিত এই গডম্যানের বিরুদ্ধে যদি প্রধান অভিযোগ হয় সম্ভ্রমহানী, তাহলে তার বিরুদ্ধে ওঠা অন্যতম অভিযোগ হল প্রায় চারশো সাধুর জোর করে নিবীর্যকরণ (নপুংশক)। রাম রহিমের বিরুদ্ধে অজ্ঞাতপরিচয় এক মহিলা প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে সম্ভ্রমহানীর অভিযোগ করেছিলেন।
যদিও, ডেরা সচ্চা সওদার এক সাধু কিন্তু আদালতে হলফনামা দিয়ে রাম রহিমের বিরুদ্ধে জোর করে সাধুদের নিবীর্যকরণের অভিযোগ করেছিলেন। তার সঙ্গেও একই ঘটনা ঘটেছিল বলে অভিযোগ করেন ওই সাধু। একটি সর্বভারতীয় হিন্দি দৈনিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হরিয়ানার ফতেহবাদের বাসিন্দা হংসরাজ চৌহান ২০১২ সালে হলফনামা আকারে পাঞ্জাব এবং হরিয়ানা হাইকোর্টে এই অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।
তার অভিযোগ ছিল, বাবা রাম রহিমের নির্দেশেই ডেরা সচ্চার হাসপাতালের চিকিৎসকরা সাধুদের নিবীর্যকরণ করতেন। যে সাধুদের সঙ্গে এমন করা হয়েছিল, সেরকম ১৬৬জন সাধুদের নামের তালিকাও আদালতে জমা দিয়েছিলেন ওই অভিযোগকারী।
এমনকী, রাম রহিমের কীর্তি ফাঁস করেছিলেন বলে রামচন্দ্র ছত্রপতি নামে সাংবাদিক খুনে অভিযুক্ত নির্মল এবং কুলদীপ নামে দুই সাধুও নপুংশক ছিলেন বলে হলফনামায় অভিযোগ করা হয়েছিল। জেলবন্দি ওই দুই সাধু স্বীকারও করেছিলেন যে তারা নপুংশক। কিন্ত নিজেদের ইচ্ছাতেই নিবীর্যকরণ করেছেন বলে দাবি করেন তারা। এই সংক্রান্ত মামলাটিও আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।